কেন এই নিঃসঙ্গতা কেন এই মৌনতা
কেন এই নিঃসঙ্গতা কেন এই মৌনতা
আমাকে ঘিরে
কেও না জানুক কার কারণে
কেও না জানুক কার স্মরণে
কোন পিছু টানে
তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে জীবনের নিয়মে
তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে জীবনের নিয়মে নিয়মে
সেদিন ভোরে, বুকের গভীরে
শুনেছি জমে থাকা নীল বেদনারা ডাকে
এই শহরে ইটের পাহাড়ে
ছিলোনা কেউ যে দেওয়ার প্রেরনা
যন্ত্রে বাঁধা মন, ছিলো ক্লান্ত অসহায়
অর্থে কেনা সুখ, ম্রিয়মান দুঃখের ছায়ায়।
আর নয় সময় উদ্দেশ্যহীন মিছিলে
তুমি সেই পূর্ণতা আমার অনুভবে
আর নয় আঁধার, তুমি স্বপ্নে ডেকে নিলে
ভরে মন অন্তহীন রঙিন এক উৎসবে
কবিতা
তুমি স্বপ্নচারিণী হয়ে
খবর নিও না
কবিতা
এই নিশাচর আমায়
ভেবেোনা সুখের মোহনা।
দেখবে আমাদের ভালবাসা
হয়ে গেছে কখন যেন
পদ্ম পাতার জল
পদ্ম পাতার জল
কত স্বপ্ন ছিলো দু’চোখে
কত আশা ছিলো এই বুকে
কত প্রেম কত কথা
কত হাসি গান
সে হাসি নেই তো আজ
হয়ে গেছে ম্লান।।
এক ঝড় এসে ভেঙে দিয়ে গেল
তাই জীবনটা এলোমেলো।
চাঁদের আলোয় সূর্যের তেজ
যেমনি যায় না পাওয়া,
সূর্য কিরণে তপ্ত বিরহে
চাঁদের সুরভি হয় না।
তেমনি পাইনি এ পৃথিবীটা ঘুরে
বন্ধুর অথবা এ হৃদয় জুড়ে
স্পষ্ট দুচোখের দৃষ্টি সীমানা
পেছনে রেখেছি ফেলে!
যারে যা উড়ে যা
পাখি তারে বলে যা,
সে যেন আমারে
কখনো ভুলে না
যারে যারে যা!
পড়ন্ত বিকেল, ক্যাফেটেরিয়া
উঁকি দিয়ে দেখি
পড়ন্ত বিকেল, ক্যাফেটেরিয়া
উঁকি দিয়ে দেখি
এক কাপ চা,
গরম তৃষ্ণায়
অজস্র এলোমেলো স্বপ্নের ভীড়ে
তোমার শীতল চোখ
ভিজিয়ে যায় আমায়
প্রতিদিন........
একমুঠো চাঁদের অপেক্ষাতে
কালো ঘরের চারপাশ
কিছু আকাশ প্রহরী হয়ে আসে
জানালাতে বারবার
দরজাতে হিমেল বাতাস যেন
কড়া নেড়ে যাচ্ছে
বোবা সময় সান্ত্বনা দিয়ে যায়
এই জোছনা আসছে
আমার ঘরের সব ঘন-কালো
যেন আঁধারী ভুবন
ঘরের ভেতর ঘর তুলে রেখে
আজ বন্ধ এই মন
ও হো-ও হো শুধু অপেক্ষায়,
কবে জোছনা আসবে?
ও হো-ও হো শুধু অপেক্ষায়,
কবে জোছনা আসবে?
চোখে সানগ্লাস ঠোঁটে হাসি
বাঁকা হাসি
তার সব কিছুতেই বড় বেশী
বাড়াবাড়ি
চোখে সানগ্লাস ঠোঁটে হাসি
বাঁকা হাসি
তার সব কিছুতেই বড় বেশী
বাড়াবাড়ি
যে চায় সে পায় মাধবী মাধবী
নয় ফুল নয় লতা মাধবী মাধবী
সে........... নষ্ট নারী
তবু এই দেয়ালের শরীরে
যত ছেঁড়া রঙ ধুয়ে যাওয়া মানুষ
পেশাদার প্রতিহিংসা তোমার চেতনার
যত উদ্ভাসিত আলো রঙ
আকাশের মতন অকস্মাৎ
নীল নীলে ডুবে থাকা তোমার প্রিয় কোনো মুখ
তার চোখের কাছাকাছি এসে
কেন পথ ভেঙে
দু'টো মানচিত্র এঁকে,
দু'টো দেশের মাঝে
বিঁধে আছে
অনুভূতি গুলোর ব্যবচ্ছেদ
তাকিয়ে থাকা শুণ্য দৃষ্টিতে
দেয়ালের অপার্থিব আলোর ভীড়ে
ওপাশের আলো ফাটল ধরায়
সব যুক্তিতে সব বিশ্বাসে
আমার শিরায় শিরায় গাঢ় অন্ধকার
শিকড় গড়ে আদরে
আমার অবশ শরীর ক্লান্তি হারায়
অধিকার নিয়ে
সব আলো নিভিয়ে দাও
ঘুমাবো আমি আলোর শেষে
জয় হোক ক্লান্তির
জয় হোক অবসাদের
সব আলো নিভিয়ে দাও
ঘুমাবো আমি আলোর শেষে
জয় হোক ক্লান্তির
জয় হোক অবসাদের
Post a Comment